লেজগুলি রয় বাঁকা শ্লেষের আয়নায় ক্ষয়িষ্ণু সমাজ ও টি এস হিজলীর কাব্যভাবনা

লেজগুলি রয় বাঁকা শ্লেষের আয়নায় ক্ষয়িষ্ণু সমাজ ও টি এস হিজলীর কাব্যভাবনা 

ড. আবু নোমান




কুকুরের লেজ কখনো সোজা হয় না, আবহমান বাংলার এই অতিপরিচিত প্রবাদটি কেবল কোনো পশুর শারীরিক গঠনকে নির্দেশ করে না, বরং এটি মানুষের নৈতিক অবক্ষয়, রন্ধ্রে রন্ধ্রে জমে থাকা ভণ্ডামি আর শঠতারও এক শাশ্বত রূপক। আধুনিক কবিতার শুষ্ক ও জটিল রাজপথে দাঁড়িয়ে কবি টি এস হিজলী যখন তাঁর ব্যঙ্গাত্মক কাব্যগ্রন্থের নাম রাখেন,‘লেজগুলি রয় বাঁকা’, তখন পাঠক প্রথম দৃষ্টিতেই বুঝে যান এটি কোনো রোমান্টিক কল্পনার উদ্যান কিংবা মেকি আভিজাত্যের বর্ণনা নয়। এটি আমাদের ক্ষয়িষ্ণু সমাজব্যবস্থা, রাজনৈতিক ভণ্ডামি আর মানুষের মনোজাগতিক বিকৃতির মুখে ধরে রাখা এক নির্মম ও ক্ষুরধার আয়না।

মাটি থেকে উঠে আসা প্রখর বিবেক টি এস হিজলী (টিপু সুলতান)। গ্রামবাংলার সোঁদা-গন্ধ মাটি থেকে থেকেই তার বেড়ে ওঠা। জন্মগ্রহণ করেন নাটোরের বাগাতীপাড়া উপজেলার হিজলী সোনাপুর গ্রামে। পিতা আমিন উদ্দিন সিদ্দিকী এবং মাতা সুফিয়া খাতুন। চার সন্তানের মধ্যে তৃতীয় সন্তান তিনি। সম্পন্ন করেন স্নাতকোত্তর শিক্ষা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগ থেকে। বরণ করে নেন অধ্যাপনাকে পেশা হিসেবে। বর্তমানে কর্মরত আছেন বগুড়ার ঐতিহ্যবাহী সরকারি আজিজুল হক কলেজে। প্রকাশিত হয়েছে তাঁর বেশ কয়েকটি কাব্যগ্রন্থ। বেদনা বিলাস (২০০৯), Games of Grammar (প্রথম প্রকাশ ২০১৩), উল্টে আমি তুমি হলে (২০২০)।

বিচিত্র জীবন অভিজ্ঞতা কবির। শাণিত তাঁর বোধ ও সামাজিক বিবেক। টেনে নিয়ে যায় তাঁর সংবেদনশীল মন ও প্রখর দৃষ্টিকে শিকড়ের টানে। সেখানে বিলে ফোটে অজস্র পদ্ম। প্রতিবিম্বিত হয় চোখের তারায় প্রচ্ছন্ন আকাশগঙ্গা। ভালোবাসেন তিনি “এই ধরণীর প্রজাপতিটির পাখা”। কিন্তু আহত করে তাঁকে সেই পাখার মলিন নাগরিক বেশ। আশ্রয় খোঁজে তাঁর আহত-মূক অন্তঃকরণ যথাযথ অভিজ্ঞতার ব্যাকুলতায়। ধাবিত হয় উপলব্ধি অসীমের পানে। ধ্বনিত হয় ছড়ায় ও কবিতায় প্রকৃতি-প্রেম, অসঙ্গতি ও আধ্যাত্মবাদের গভীর অনুরণন।

বাংলা সাহিত্যে ছড়া ও ব্যঙ্গ কবিতার যে এক সুদীর্ঘ ও শক্তিশালী ঐতিহ্য রয়েছে, টি এস হিজলী সেই ধারায় এক অত্যন্ত অকৃত্রিম, সাহসিক ও তীক্ষ্ণ স্বর। সমাজের অসঙ্গতিগুলো দেখে কেবল নিস্পৃহভাবে মুখ ফিরিয়ে রাখা কবির ধর্ম নয় বরং ছন্দের মায়াবী বাঁধনে ও ক্ষুরধার বাকপ্রতিমায় সেই ক্ষতগুলোকে অনাবৃত করাই তাঁর মূল লক্ষ্য। কবি টি এস হিজলী তাঁর কবিতার প্রতিটি ছত্রে, প্রতিটি চরণে শব্দ সাজিয়েছেন, সত্যকে জাগ্রত রাখতে একেকটি রূপক চাবুক হেনেছেন পাঠকের সুপ্ত বিবেকের ওপর।
কাব্যগ্রন্থটির শুরু থেকেই কবি যে ব্যঙ্গাত্মক সুর বাঁধেন, তা পুরো গ্রন্থজুড়ে এক গভীর ও বিষাদময় গাম্ভীর্যে প্রবাহিত হতে থাকে। শিরোনামের মধ্যেই লুকিয়ে থাকে কবির পরম সামাজিক উপলব্ধি, সমাজকে শুধরাতে হাজারো প্রবচন আর উপদেশের বাতি জ্বালালেও অসাধু মানুষের ভেতরের বাঁকা স্বভাবটি যেমন সহজে সোজা হতে চায় না, তেমনই ভণ্ডামির শিকড়গুলোও সমাজের গভীরে ডালপালা ছড়িয়ে রয়। আর এই নির্মম সত্যকে সাহিত্যের পাতায় ধারণ করতেই কবি অস্ত্র হিসেবে তুলে নিয়েছেন রূপক, শ্লেষ আর ছন্দের তীক্ষ্ণ চাবুক।

‘লেজগুলি রয় বাঁকা’ কাব্যগ্রন্থের সামাজিক আঘাতের মূল লক্ষ্য হলো রাজনৈতিক মঞ্চের ধূর্ততা এবং সাধারণ মানুষের সরল বিশ্বাসকে পুঁজি করে গড়ে ওঠা সুবিধাভোগী রাজনীতি। সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার নিয়ে যখন মঞ্চে বড় বড় কথা বলা হয়, তখন কবি টি এস হিজলী সেই ফাঁকা বুলির ভেতরের চরম প্রবঞ্চনাকে বারেবারে অনাবৃত করেন।
‘বক্তা সমাচার’ কবিতায় কবি রাজনীতির মঞ্চে চোখ ধাঁধানো বক্তব্য দেওয়া নেতাদের মুখোশ খুলে দিয়ে একে একে দেখান কীভাবে চটুল কথার আড়ালে জনমানুষের রক্তচুষে নেওয়ার চক্রান্ত চলে। কবি স্পষ্ট ভাষায় বিদ্ধ করে লেখেন,
“মিষ্টি ভাষায় বাজিয়ে বুলি, কাড়ছে মুখের গ্রাস,
আমজনতা ভূতেরা আজ ডাঙ্গায় জলের মাছ!”

ভোটের আগে আমজনতাকে দেবতুল্য বানিয়ে প্রতিশ্রুতি দেওয়া আর জয়ী হওয়ার পর সেই জনগণকেই নিঃস্ব বানিয়ে ভূতের মতো অসহায় পরিস্থিতিতে ঠেলে দেওয়ার যে নির্লজ্জ ঐতিহ্য, কবি তা অতি প্রাঞ্জল রূপকে তুলে ধরেছেন।

একইভাবে ‘ভূতের দেশে’ ও ‘লাগে ভেলকি লাগ’ ছড়াগুলোতে ক্ষমতার অন্ধ রাজনীতিকে কড়া ভাষায় চাবুক মারা হয়েছে। সমাজের স্বাভাবিক নিয়মকে উল্টে দিয়ে রাজনীতি যখন সার্কাসের খেলায় পরিণত হয়, তখন সাধারণ মানুষ কেবল অসহায় দর্শকের ভূমিকা পালন করে। ‘লাগে ভেলকি লাগ’ কবিতার মাধ্যমে কবির সেই শ্লেষাত্মক সুর স্পষ্ট হয়ে ওঠে,
“লাগ ভেলকি, লাগ ভেলকি, লাগ ভেলকি লাগ,
দেখবো না আর কিচ্ছু, আমার চক্ষু ঘুমের বাগ।”

অন্যায় আর প্রহসন দেখেও চোখ বন্ধ করে থাকার এই সামাজিক বাধ্যবাধকতা আর অন্ধ অনুকরণের রূপচিত্র কবির লেখনীতে অত্যন্ত তীক্ষ্ণভাবে ফুটে ওঠে।

অপরদিকে, ‘একটি কল্পিত আলোচনা সভা’ ও ‘নাহক খাহক’ কবিতা দুটিতে কবি প্রশাসনিক লালফিতা ও চাটুকারিতার কুৎসিত দিক উন্মোচন করেছেন। সমাধানহীন অহেতুক তর্ক, টেবিল চাপড়ানো বক্তৃতা আর কোনো কারণ ছাড়াই সাধারণ মানুষকে জটিলতায় ফেলার যে চর্চা, তাকে কবি তীব্র তাচ্ছিল্য করেছেন। সোজা পথকে বাঁকা বানিয়ে কীভাবে সুবিধাবাদী গোষ্ঠী নিজেদের আখের গুছিয়ে নেয়, ‘নাহক খাহক’-এর চরণে চরণে তা স্পষ্টভাবে ধরা পড়ে। রাজনৈতিক ও সামাজিক চাতুর্যের এই প্রতিটি কোণে কবির তীক্ষ্ণ আলো ছায়াপাত করে ভণ্ডামির নগ্ন শরীরকে প্রকাশ করে দেয়।

সমাজব্যবস্থা যখন তার নৈতিক ভিত্তি হারিয়ে ফেলে, তখন মানুষের আচরণ বনের হিংস্র পশুর চেয়েও ভয়াবহ রূপ ধারণ করে। টি এস হিজলী তাঁর কাব্যগ্রন্থে মানুষের এই মনোজাগতিক অধঃপতনকে ফুটিয়ে তুলতে পশুপাখির রূপককে অত্যন্ত নিখুঁত ও মোঘম অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করেছেন।

‘গরু এবং গাধা’ ও ‘জন্তু সমাচার’ কবিতায় কবি পশুর রূপকের আড়ালে বস্তুত মানুষেরই পরম পশুবৃত্তিকে ব্যবচ্ছেদ করেছেন। সভ্যতার আলোকপ্রাপ্তির দাবি করা মানুষগুলো কীভাবে স্বার্থের লড়াইয়ে একে অপরকে ছিঁড়ে খায় এবং দুর্বলকে পিষে মারে, সেই পাশবিক বাস্তবতাকে কবি নির্মোহভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। কবি লিখেছেন,
“পশুর চামড়া গায়ে জড়িয়ে মানুষ পশুর বেশ,
সভ্যতার এই মুখোশ নিচে হিংস্রতারই শেষ!”

‘গরু এবং গাধা’ কবিতায় আবার শোষণের জগত থেকে মুক্তির মেকি স্বপ্নের করুণ পরিণতিও আঁকা হয়েছে। আভিজাত্য কিংবা মেকি পরাক্রম দেখানোর এই ফাঁপা আসফালনকে কবি বিদ্ধ করেছেন ‘মিছেই তোমার বেশ শিকারীর’ কবিতায়। বাহ্যিক শক্তিমত্তা আর হুঙ্কার দেখানি মানুষের ভেতরে যে কতটা চরম ভীরুতা ও আত্মপ্রবঞ্চনা লুকিয়ে থাকে, কবির চাবুক সেখানে নির্দয়ভাবে আঘাত হানে।

অন্যায়-অবিচারের এই মহাসমারোহ দেখেও যখন সাধারণ মানুষের প্রতিবাদ করার সামর্থ্য থাকে না, তখন তৈরি হয় নীরব নিরাশার গুমোট পরিবেশ। ‘অক্ষমের গান’ কবিতায় কবি শোষিত ও নিস্পেষিত মানুষের সেই নীরব যন্ত্রণাকে ফুটিয়ে তুলেছেন। চোখের সামনে সব অনিয়ম দেখেও মুখ বুজে সহ্য করতে বাধ্য হওয়া মানুষের আক্ষেপ ঝরে পড়ে এই চরণে,
“মুখ বুজে সব সহ্য করা, এটাই যদি নিয়ম হয়,
প্রতিবাদের ভাষা তবে নিরবতায় মিলিয়ে রয়।”

পাওয়ার-পলিটিক্স আর ক্ষমতার দাপটের কাছে বারবার পরাজিত হতে থাকা এই অসহায় প্রাণগুলোর মনের চাপা ক্ষোভ প্রকাশ পায় কবির ক্ষুরধার লেখনীতে। দুর্বলদের কথা বলার সব অধিকার কেড়ে নিয়ে যেখানে কেবলই মেনে নেওয়ার আদেশ দেওয়া হয়, কবি সেখানে শোষিতের বোবা কান্নার শরিক হয়ে সমাজকে চরম অপরাধীর কাঠগড়ায় দাঁড় করান।

কেবল ব্যঙ্গ, শ্লেষ কিংবা রাজনৈতিক প্রতিবাদের তীক্ষ্ণ চাবুক হানেই কবি টি এস হিজলীর দায়বদ্ধতা শেষ হয়ে যায় না। এই কঠোর ও বিষাদময় অনুভূতির আড়ালে তাঁর হৃদয়ে লুকিয়ে আছে এক অমলিন সৌন্দর্যচেতুক, শৈশবের স্মৃতিকাতরতা এবং শিকড়ের প্রতি গভীর নাড়ির টান।

যান্ত্রিক শহরের ইট-কাঠের খাঁচায় বন্দি হয়ে মানুষ যখন তার অতীত ও নিষ্পাপ শৈশবকে ভুলে যেতে বসে, তখন কবি বিলাপ করে ওঠেন ‘হারিয়ে গেছে’ কবিতায়। আধুনিক প্রযুক্তির গ্রাসে হারিয়ে যাওয়া সেই সোনালী দিন, সবুজ মেঠোপথ আর শৈশবের নির্মল দুরন্তপনাকে কবি গভীর আক্ষেপে স্মরণ করেন,
“আজ আর খেলা নেই, নেই সে দিনগুলি,
যান্ত্রিক ধূলিজালে সব গেছে ভুলি।”

শহুরে আভিজাত্যের কৃত্রিম প্রলেপকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে কবি ফিরে যেতে চান মাটির সতেজ সুবাসে। ‘পান্তা কাব্য’ কবিতায় লোকায়ত সংস্কৃতি ও অকৃত্রিম বাঙালি জীবনের এক অপরূপ কোলাজ ফুটে ওঠে। মেকি বিলাসিতার চেয়ে সাধারণ পান্তা ভাতের তৃপ্তি যে বাঙালি জীবনের মূল শক্তি, কবি তা অত্যন্ত সংবেদনশীল ভাষায় উচ্চারণ করেন,
“মাটির সানকিতে রাখা পান্তা ভাতের সুর,
মেকি বিলাসিতা ছেড়ে টানে দূর বহুদূর।”

তবে জীবনের এই সমস্ত হট্টগোল, ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ, স্মৃতিকাতরতা আর শিকড়ের সন্ধানের পথ পার হয়ে কবি শেষপর্যন্ত উপনীত হন এক অমোঘ মহাশূন্যতার মুখোমুখি। ‘শেষের কবিতা’ কবিতায় আয়ুর সূর্য ডোবার আগের সেই থমথমে গোধূলিবেলার হিসাব-নিকাশ ফুটে ওঠে। জীবনের সমস্ত ধন-সম্পদ, ক্ষমতার দাপট আর অহংকার যে মৃত্যুর ওপারে গিয়ে এক নিমেষে অর্থহীন হয়ে পড়ে, সে পরম সত্যকে কবি উন্মোচন করেন,
“পাওয়ার পাওয়ার খেলা শেষে শূন্য আকাশ রয়,
শেষ পৃষ্ঠায় হিসাব মেলে, সবই মিথ্যে হয়।”

জীবনের শেষপ্রান্তে পৌঁছে যাওয়া মানুষের এই আত্মিক উপলব্ধি কবিকে অহংকার ভুলে বিনয়ী হতে শেখায়, আর পাঠককে দেয় এক গভীর বৈরাগ্য ও পরম ভাবনার খোরাক।

টি এস হিজলীর ‘লেজগুলি রয় বাঁকা’ কাব্যগ্রন্থটি কেবল ছন্দ মিলানোর কতগুলো ব্যঙ্গ ছড়া বা কবিতার সংকলন নয়; এটি সমাজ-দেহে বাসা বাঁধা দীর্ঘদিনের পচনের ওপর ফেলা এক সংবেদনশীল ও ক্ষুরধার আলোকপাত। কবি তাঁর কাব্যে যে শ্লেষ ও রূপকের বুনন ঘটিয়েছেন, তা পাঠককে কেবল আনন্দ দেয় না, বরং ভেতর থেকে ঝাঁকুনি দিয়ে সত্যের মুখোমুখি দাঁড় হতে বাধ্য করে।

কবির ছন্দভাবনা ও শব্দচয়ন অত্যন্ত চমৎকার ও দোলাচলাত্মক। ‘ছন্দের মেলা’ কবিতায় তিনি কাব্যানুরাগ ও অক্ষরের জাদু দিয়ে কঠিন সামাজিক সত্যকেও পাঠকের হৃদয়ঙ্গম করিয়েছেন অত্যন্ত সাবলীলভাবে,
“শব্দের খাঁজে খাঁজে ছন্দের দোলা,
সত্যের আলো তাই যায় নাকো ভোলা।”

সার্বিক মূল্যায়নে বলা যায়, এই কাব্যগ্রন্থে কবি টি এস হিজলী সমাজের অন্ধ আনুগত্য, রাজনৈতিক ভণ্ডামি, মানবিক অবক্ষয় এবং শোষিত মানুষের নীরব ক্রন্দনকে এক সুতোয় গেঁথেছেন। কুকুরের বাঁকা লেজকে হাজার চেষ্টা করেও যেমন সোজা করা যায় না, তেমনই আমাদের সমাজ ও মানবচরিত্রের গভীরে জমে থাকা বিকৃতিগুলো সহজে ঘুচে যায় না। কিন্তু টি এস হিজলী হতাশ হয়ে থেমে যাননি, বরং সেই বাঁকা লেজের ওপরই কবিতার ক্ষুরধার চাবুক হেনে সত্য ও মূল্যবোধকে বাঁচিয়ে রাখার এক অনমনীয় প্রতিবাদ গড়ে তুলেছেন।

বাংলা ব্যঙ্গ কবিতা ও প্রাঞ্জল সাহিত্য-আলোচনার আঙিনায় টি এস হিজলীর এই ক্ষুরধার কাব্যপ্রয়াসটি একটি অনন্য, সমৃদ্ধ ও চিরন্তন সৃষ্টি হিসেবে পাঠক ও সমালোচকদের হৃদয়ে স্থায়ী আসন দখল করে রাখবে।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

ঝরোকা পরিবারে আপনাকে স্বাগতম! অনুগ্রহ করে গঠনমূলক ও মার্জিত মন্তব্য করুন।;

comment url